Logo
×

Follow Us

খেলা

বিপিএল ফিক্সিংয়ে অভিযুক্ত তিন ব্যক্তির নাম প্রকাশ করল বিসিবি

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম

বিপিএল ফিক্সিংয়ে অভিযুক্ত তিন ব্যক্তির নাম প্রকাশ করল বিসিবি

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) নিয়ে অভিযোগের যেন শেষ নেই। নেতিবাচক কারণে বারবার খবরের শিরোনাম হওয়া বিপিএলে ফিক্সিং কেলেঙ্কারির ঘটনা দেখা যায় হরহামেশাই। এবার ২০২৬ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ফিক্সিং ও দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে অভিযুক্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ২০২৪ সালের দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের (বিসিবিআইইউ) পরিচালিত তদন্তের ভিত্তিতে তিন জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তদন্তগুলো ছিল ১২তম বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) নিয়ে। 

অভিযুক্ত তিনজন হলেন— বিসিবির সাবেক পরিচালক ও অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুখলেসুর রহমান শামীম, সাবেক সিকিউরিটি লিয়াজোঁ অফিসার জাকির হোসেন এবং বগুড়া জেলার বিসিবির সাবেক কাউন্সিলর ও অডিট কমিটির সাবেক সদস্যসচিব রাকিবুল ইসলাম সানি।

বিসিবির অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৬ বিপিএলে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা, দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে অন্যদের প্ররোচিত বা সহায়তা করা, দুর্নীতির প্রস্তাব বা আমন্ত্রণের তথ্য গোপন করা এবং তদন্তে সহযোগিতা না করার মতো অভিযোগ রয়েছে।

১. মুহাম্মদ মুখলেসুর রহমান শামীম

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বিসিবির পরিচালনা পর্ষদে অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন শামীম। ফিক্সিংয়ের অভিযোগ আসায় ২০২৬ বিপিএল চলার সময়ই পদত্যাগ করেন শামীম। ২০২৬ বিপিএলে ম্যাচ বা ম্যাচগুলোর ফল, অগ্রগতি, পরিচালনা বা অন্য কোনো দিক প্রভাবিত করার জন্য ম্যাচ ফিক্সিং করা, ফিক্সিংয়ের পরিকল্পনা করা, অনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার করা কিংবা এ ধরনের কোনো চুক্তি বা প্রচেষ্টার অংশ হওয়া—অথবা এমনটি করার চেষ্টা করার অভিযোগ রয়েছে। কাউকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্ররোচিত করা বা উৎসাহিত করা, ফিক্সিং সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব পেয়ে সেগুলো যথাসময়ে দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তাকে জানাতে ব্যর্থ হওয়া, এমনকি দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ হিসেবে কোনো তথ্য গোপন করা, মুছে ফেলার মতো অভিযোগও রয়েছে।

২. জাকির হোসেন

জাকির ছিলেন বিসিবির সাবেক নিরাপত্তা বিষয়ক লিয়াজো কর্মকর্তা। ২০২৬ বিপিএলে কোনো ম্যাচ বা একাধিক ম্যাচগুলোর ফল, অগ্রগতি, পরিচালনা বা অন্য কোনো দিক প্রভাবিত করতে ম্যাচ ফিক্সিং করা, ফিক্সিংয়ের পরিকল্পনা করা, অনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার করা কিংবা এ ধরনের কোনো চুক্তি বা প্রচেষ্টার অংশ হওয়া, দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্ররোচিত, উৎসাহিত করা, যথেষ্ট বা গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়া আইসিসির মনোনীত দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তা (ড্যাকো) পরিচালিত তদন্তে সহযোগিতা করতে ব্যর্থ বা অস্বীকৃতি জানানো—এসব অভিযোগ রয়েছে। দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালার ৪.৩ ধারার অধীনে জারি করা জবাবের নোটিশ মেনে চলতে বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত।

৩. রাকিবুল ইসলাম সানি

সানি ছিলেন বিসিবির অডিট কমিটির সদস্যসচিব। বিসিবির বগুড়া জেলার সাবেক কাউন্সিলরও তিনি। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর প্রস্তাব বা আমন্ত্রণের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তাকে (ড্যাকো) জানাতে ব্যর্থ হওয়া, যথেষ্ট বা গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়া ড্যাকো পরিচালিত সম্ভাব্য দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের তদন্তে সহযোগিতা করতে ব্যর্থ বা অস্বীকৃতি জানানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালার ৪.৩ ধারার অধীনে জারি করা জবাবের নোটিশ মেনে চলতে ব্যর্থ হওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত।

মন্তব্য করুন