ইশরাকের সামনে বড় দায়িত্বের সুযোগ দেখছেন মাহদী আমিন
প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৮ এএম
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগকে রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে দেখছেন না প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তার মতে, আত্মোপলব্ধি, সংশোধন এবং জনগণের ভালোবাসার মধ্য দিয়ে ইশরাকের সামনে আরো বড় ও জনমুখী রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা লেখেন মাহদী আমিন। তিনি জানান, পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। সেখানেই তিনি ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের খবর জানতে পারেন।
ইশরাকের সাথে দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইশরাকের ভূমিকা ছিল সাহসী। তার পারিবারিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি বিএনপির তরুণদের সম্পৃক্ত করা, কূটনৈতিক যোগাযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁদের।
মাহদী আমিনের ভাষ্য, ইশরাকের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন কিংবা মতভিন্নতা থাকতে পারে। তবে যে উদ্যোগকে কেন্দ্র করে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তার লক্ষ্য, নৈতিকতা ও যৌক্তিকতা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই বলে তিনি মনে করেন।
ইশরাকের রাজনৈতিক পরিচয় ও আত্মত্যাগকে প্রতিমন্ত্রীর পদ কিংবা পদত্যাগপত্র দিয়ে মূল্যায়ন করা যায় না বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তার মতে, দল, দেশ ও মানুষের কল্যাণে ইশরাকের অবদান এবং আন্তরিক অবস্থান সাময়িক কোনো সিদ্ধান্তের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
মাহদী আমিন আরো বলেন, জনগণের সরকারের অবস্থান থেকে জবাবদিহির বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আস্থাভাজন, ত্যাগী ও জনপ্রিয় তরুণ নেতা ইশরাকের একটি সাহসী ও জনবান্ধব উদ্যোগ বাস্তবায়নকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হলেও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হচ্ছে। রাষ্ট্র গঠনের ধারাবাহিকতায় সরকারের প্রতিটি পর্যায়ে এই দায়বদ্ধতা বজায় থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ইশরাকের পদত্যাগকে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার সাথে যুক্ত করে মাহদী আমিন বলেন, এটি কোনো অধ্যায়ের শেষ নয়। বরং আত্মোপলব্ধি, সংশোধন এবং গণমানুষের ভালোবাসার মধ্য দিয়ে তার সামনে আরো বৃহত্তর ও জনমুখী রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের পথ খুলে যেতে পারে।
মন্তব্য করুন
logo-1-1772191739.png)