Logo
×

Follow Us

রাজনীতি

আসিফের আসন নিয়ে ড. ইউনূসের ফোনের দাবি রাশেদের

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম

আসিফের আসন নিয়ে ড. ইউনূসের ফোনের দাবি রাশেদের

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতির অভিযোগ বা বিতর্কের দায় জামায়াত নিতে চায়নি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার জন্য ঢাকা-১০ আসন ছেড়ে দিতে জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফোন করেছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন। একই পোস্টে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও তোলেন রাশেদ খাঁন।

রাশেদ খাঁনের দাবি, আসিফ মাহমুদের জন্য ঢাকা-১০ আসন ছাড়তে জামায়াতের আমিরকে অনুরোধ করা হলেও তিনি তাতে রাজি হননি। এ বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বিভিন্নজনের কাছে আক্ষেপ করে বলেছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। রাশেদের ভাষ্য অনুযায়ী, নাহিদ ইসলামের বক্তব্য ছিল, দীর্ঘ দরকষাকষির পরও জামায়াতের আমির আসিফ মাহমুদের জন্য আসনটি ছাড়েননি।

রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতির অভিযোগ বা বিতর্কের দায় জামায়াত নিতে চায়নি। এমনকি আসনটি ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াতের আমিরকে ফোন করলে তিনি প্রয়োজনে আরও দুই-তিনটি আসন ছাড়ার কথা বললেও আসিফ মাহমুদের বিষয়ে অনুরোধ না করার জন্য স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন বলে দাবি করেন রাশেদ।

আসনটি শেষ পর্যন্ত জামায়াত না ছাড়ায় দলটির আমিরকে ধন্যবাদও জানান রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, বিভিন্ন বিষয়ে জামায়াতের সমালোচনা করলেও এ অবস্থানের জন্য দলটির আমিরের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ।

রাশেদ খাঁন দাবি করেন, আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিষয়টি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মধ্যে অনেকের কাছেই ‘ওপেন সিক্রেট’। এ কারণেই সংবাদ সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের কাউকে আসিফ মাহমুদের পাশে দেখা যায়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নিজের বক্তব্যের পক্ষে কোনো নথি বা প্রমাণ উপস্থাপন না করে রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আসিফ মাহমুদ ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি দাবি করেন, একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়ার বিষয়টি তিনি নিজে জানেন এবং এ বিষয়ে একজন উপদেষ্টাকে জানালে ওই উপদেষ্টা বেতন থেকে এত টাকা দেওয়া সম্ভব নয় বলে আক্ষেপ করেছিলেন।

আসিফ মাহমুদ ওমরাহ করে এসেছেন উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, অল্প বয়সে কোনো ভুল হয়ে থাকলে তাঁর উচিত ছিল সে বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করা। তবে বিরোধিতার কারণে অনেকে আসিফ মাহমুদের পক্ষে অবস্থান নিলেও নিজের কাছে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে তিনি ভবিষ্যতেও আসিফ মাহমুদের ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতিতে সম্পৃক্ততার অভিযোগ করে যাবেন বলে জানান।

রাশেদ খাঁন সাংবাদিকদের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে তাঁর উত্থাপিত দাবিগুলো যাচাই করার আহ্বান জানান।

মন্তব্য করুন