সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশ ও পর্তুগালের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং নিয়মিত অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরো কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। একই সাথে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় গতিশীলতা কাঠামোর আওতায় সহযোগিতা কার্যকরভাবে এগিয়ে নেয়া, সুশৃঙ্খল অভিবাসন উৎসাহিত করা এবং বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতে, এসব উদ্যোগ কূটনৈতিক যোগাযোগ আরো নিবিড় করার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হবে।
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের অবদানের স্বীকৃতি দিয়েছেন। পাশাপাশি পর্তুগিজ সমাজে বাংলাদেশিদের অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সামুদ্রিক সহযোগিতা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বিনিময় বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
লিসবনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নেয়া, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করা এবং দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে বাস্তব সহযোগিতায় রূপ দিতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে উভয় দেশের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণ নিশ্চিত করার প্রত্যাশা রয়েছে।
মন্তব্য করুন
logo-1-1772191739.png)