দুর্গাপূজায় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর
প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার সব ধর্মের মৌলিক শিক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেছেন, ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতার মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা সবার দায়িত্ব।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবতার কল্যাণ সব ধর্মের অন্যতম প্রধান শিক্ষা। নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি সব মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও সহমর্মিতার সম্পর্ক অটুট রাখা জরুরি।
বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, হিন্দুধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, জগতের মঙ্গল ও ভক্তদের কল্যাণ সাধনে দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমন ঘটে। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের বিশেষ তাৎপর্য প্রকাশ পায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছেন। এই ধর্মীয় স্বাধীনতা, সামাজিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য দেশের ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব, সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।
তারেক রহমান বলেন, বহু প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদের অবসানের পর বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে দেশ পুনর্গঠনের ব্যাপক উদ্যোগ। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য কল্যাণকর, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের অঙ্গীকার।
বাণীতে তিনি বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনধারাকে সম্প্রীতির চেতনায় আরও সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে সারা দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে নির্ভয়ে ও নিরাপদে দুর্গাপূজা উদ্যাপনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার; ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।
মন্তব্য করুন
logo-1-1772191739.png)