Logo
×

Follow Us

জাতীয়

ই-কমার্সের চাহিদায় আধুনিক হচ্ছে ডাক বিভাগ

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম

ই-কমার্সের চাহিদায় আধুনিক হচ্ছে ডাক বিভাগ

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি।

প্রযুক্তিনির্ভর ও লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডাক বিভাগকে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি। তিনি বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতি ও ই-কমার্সের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডাক বিভাগের সেবাব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা হবে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে বিশ্ব ডাক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা’ প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেন, ডাক বিভাগের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে তথ্যনির্ভর ব্যবস্থাপনা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। ডাক বিভাগ একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে তিনি বলেন, একে অবহেলা না করে প্রযুক্তিনির্ভর ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ই-কমার্সের বিস্তার ও প্রযুক্তির পরিবর্তিত বাস্তবতায় ডাক বিভাগকে আধুনিক, সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবাব্যবস্থায় রূপান্তর করা জরুরি। বিদ্যমান ডাক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ই-কমার্স পণ্য সরবরাহ, পার্সেল পরিবহন, ডিজিটাল আর্থিক সেবা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সহজে ডাকসেবা পৌঁছে দেয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।

সভায় ডাক বিভাগের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে ছয়টি অগ্রাধিকার নির্ধারণের বিষয় তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো ডিজিটাল ডাকঘর প্রতিষ্ঠা, সমন্বিত ডাক তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা, ই-কমার্স লজিস্টিকস হাব চালু, ডিজিটাল আর্থিক সেবার সম্প্রসারণ, তথ্যনির্ভর আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশবান্ধব ডাকব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

অনুষ্ঠানে ডাক অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম।

বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে ৯ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ডাকসেবা সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি উৎসব, ফিলাটেলিক প্রদর্শনী এবং ডাকসেবাবিষয়ক মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া ৯ ও ১০ অক্টোবর সঞ্চয় ব্যাংকের কার্যক্রম ছাড়া ডাক বিভাগের সব পর্যায়ের কার্যালয়ে ডাকসেবা গ্রহণের সুযোগ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, আধুনিক ও সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সম্ভব হলে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি, ই-কমার্স, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং সামগ্রিক জাতীয় উন্নয়নে ডাক বিভাগ আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

মন্তব্য করুন