Logo
×

Follow Us

জাতীয়

জনসেবায় জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল হতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম

জনসেবায় জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল হতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই নির্বাচিত সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের গ্র্যান্ড বলরুমে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাজের ধরন ভিন্ন হলেও সবার লক্ষ্য জনগণের সেবা করা। জনগণ নির্বাচিত সরকারের কাছে যে প্রত্যাশা নিয়ে ভোট দেয়, তা পূরণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা জনগণের অধিকার নিশ্চিত ও প্রয়োজন পূরণের কাজে ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকারি ক্ষমতা মানুষের সেবা সহজ করার জন্য। কোনোভাবেই যেন তা জনসেবা বাধাগ্রস্ত করার কারণ না হয়।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতীয় প্রশাসনের জন্য এই তথ্যভান্ডার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে দেশের প্রকৃত জনসংখ্যার সঙ্গে নিবন্ধন ডাটাবেজের তথ্যের বড় ধরনের অসংগতি রয়েছে। প্রায় ১৯ কোটি মানুষের দেশে ডাটাবেজে এর চেয়ে বেশি মানুষের তথ্য থাকা উদ্বেগজনক। এই অসংগতি দূর করে নিবন্ধন ব্যবস্থাকে নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার করলেই জনগণের সেবা নিশ্চিত হবে না; প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। সাধারণ একটি জন্মসনদ পেতে যেন কোনো নাগরিককে বারবার ইউনিয়ন পরিষদে যেতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, গ্রামের একজন সাধারণ মানুষ হয়তো উচ্চশিক্ষিত নন, কিন্তু তিনি রাষ্ট্রের নাগরিক এবং সরকারি সেবা পাওয়ার সমান অধিকার তার রয়েছে। তাই তৃণমূল পর্যায়ে সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের আরো জনমুখী ও দায়িত্বশীল হতে হবে।

অনুষ্ঠানে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে শুদ্ধতা ও উৎকর্ষের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ঢাকা জেলার উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার), চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, দুবাই, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) ফারাহ শাম্মী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডেলিগেশন ঢাকার হেড অব ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ড. মিখাল ক্রেজা এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন