Logo
×

Follow Us

জাতীয়

ভুল মূল্যায়নে শিক্ষার্থী ফেল, শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৯ পিএম

ভুল মূল্যায়নে শিক্ষার্থী ফেল, শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় যোগ্য শিক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়নে অবহেলার কারণে অকৃতকার্য করা হয়েছে—এমন অভিযোগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় প্রথমে অকৃতকার্য হওয়া বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী পরবর্তী প্রক্রিয়ায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। এতে খাতা মূল্যায়নে অবহেলার বিষয়টি সামনে এসেছে। যারা পাস করার যোগ্য শিক্ষার্থীকে ফেল করিয়েছেন, তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। তদন্ত ও পর্যালোচনার পর তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেয়া হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শিগগির এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

শিক্ষক বদলি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে এহছানুল হক মিলন জানান, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর মাধ্যমেও অনলাইনে বদলি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে প্রতিস্থাপন প্রয়োজন এমন শিক্ষক এবং অ্যাটাচমেন্টে থাকা শিক্ষকদের বিষয়ও একই সঙ্গে নিষ্পত্তি করতে হবে। বদলি সংক্রান্ত ফাইল নিয়ে এনটিআরসিএ কাজ করছে এবং দ্রুত প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

এ সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮১৭ জন সহকারী শিক্ষককে এখনো নিয়োগপত্র দেয়া হয়নি বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, তাদের ভেরিফিকেশন ধাপে ধাপে চলছে এবং ঠিকানা-সংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে। যেসব নিয়োগ এখনো সম্পন্ন হয়নি, সেগুলো পর্যালোচনায় রাখা হয়েছে। এই কার্যক্রম আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের যাচাই-বাছাই প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় ১০ লাখ ৬৯ হাজার প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে পরবর্তী সময়ে কাজ শুরু করা হয়। এ পর্যন্ত ৩৩ হাজার ৮৫৪ জনের চূড়ান্ত আবেদন পাওয়া গেছে। ডিপিও ইস্যুর সময় অনেক প্রার্থীর ঠিকানা পরিবর্তন ও ভেরিফিকেশন-সংক্রান্ত বিষয় সামনে আসে। এসব তথ্য পর্যায়ক্রমে যাচাই করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন