এলএনজি সরবরাহ বাড়ায় গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক
প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৯ পিএম
ফাইল ছবি
মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি সরবরাহ পুনরায় শুরু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের প্রবাহ বেড়েছে। এতে সকাল থেকেই শিল্পকারখানা ও আবাসিকসহ বিভিন্ন খাতে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইনস) প্রকৌশলী মো. শোয়েব বাসসকে জানান, সকাল ৭টা থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করে। বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে ২ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। সরবরাহ আরো বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১০টার দিকে জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৩৪১ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে পাওয়া যায় ১ হাজার ৬০৩ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আমদানি করা আরএলএনজি থেকে সরবরাহ ছিল ৭৩৮ মিলিয়ন ঘনফুট।
দুপুর ২টার দিকে মোট সরবরাহ বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৫২৫ মিলিয়ন ঘনফুটে। তখন দেশীয় উৎস থেকে ১ হাজার ৬০৭ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আরএলএনজি থেকে ৯১৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়।
পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, ইন্দোনেশিয়া থেকে টোটালএনার্জির মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে কেনা এলএনজিবাহী একটি কার্গো থেকে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে মহেশখালীর সামিট টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ বাড়তে থাকে।
এর আগে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে বৃহস্পতিবার আমদানি করা এলএনজি কার্গো থেকে মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে গ্যাস স্থানান্তর ব্যাহত হয়েছিল। এতে আরএলএনজি সরবরাহ কমে গিয়ে জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কিছুটা কমে যায়।
তবে বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলে দ্রুত এলএনজি স্থানান্তর কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে এবং এর সঙ্গে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আগেই জানিয়েছিল পেট্রোবাংলা।
মন্তব্য করুন
logo-1-1772191739.png)