Logo
×

Follow Us

জাতীয়

ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর সাথে বাংলাদেশের নতুন সমঝোতা

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম

ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর সাথে বাংলাদেশের নতুন সমঝোতা

ছবি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো এগিয়ে নিতে নিয়মিত আলোচনা চালুর লক্ষ্যে ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ। প্রাথমিক পর্যায়ে দুই দেশের সহযোগিতায় জ্বালানি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর এবং ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর পররাষ্ট্র ও ক্যারিকম বিষয়ক মন্ত্রী এস এম সোবার্স নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর হুমায়ুন কবীর বলেন, নতুন এই কাঠামোর মাধ্যমে দুই দেশ নিয়মিতভাবে নিজেদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি বাণিজ্য, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে।

জ্বালানি খাতকে স্বল্পমেয়াদে সহযোগিতার সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দ্রুত একটি কারিগরি বৈঠক আয়োজনের জন্য ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর মন্ত্রীর সহযোগিতা চান। প্রস্তাবিত বৈঠকে দেশটির ন্যাশনাল গ্যাস কোম্পানি, আটলান্টিক এলএনজি, ফিনিক্স পার্ক গ্যাস প্রসেসরস এবং একটি অ্যামোনিয়া বা সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এ সংকটের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরতে ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর অব্যাহত সমর্থন চান হুমায়ুন কবীর। বিশেষ করে ২০২৭-২০২৮ মেয়াদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের দায়িত্ব পালনের সময় দেশটির সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।

মানবিক সহায়তার তহবিল কমে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে এলেও বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে আসা ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে। তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

এ ছাড়া ক্রিকেটকে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগের একটি মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করে যুব ও নারী ক্রিকেট, কোচিং, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং ক্রীড়া প্রশাসনে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের প্রস্তাব দেন হুমায়ুন কবীর।

সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুসংগঠিত ও কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে উভয় পক্ষ।

মন্তব্য করুন