জাতিসংঘে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
অভিনন্দনবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, জনগণের প্রত্যাশা এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে দেশের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তার ভাষণ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের মর্যাদা ও অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।
রাষ্ট্রপতির মতে, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পথে অগ্রসর হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। একই সঙ্গে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার এবং সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয়ও তুলে ধরা হয়েছে। দেশের পুনর্গঠনে ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন’ বা ‘থ্রি-আর’ কৌশলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতিসংঘের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পাশাপাশি বিশ্বশান্তি, বহুপাক্ষিকতা, ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে দেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন।
অভিনন্দনবার্তায় তিনি আরো বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে চাপ তৈরি হয়েছে, জ্বালানি নিরাপত্তার সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টিও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে।
জাতিসংঘকে ‘একটি সমঝোতামূলক বিশ্বসমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু’ হিসেবে দেখার প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। সংঘাতপূর্ণ বিশ্বে সংলাপ, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বানকে তিনি তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ : সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রত্যয়ের প্রসঙ্গ টেনে রাষ্ট্রপতি বলেন, এতে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেয়ার বিষয়টিকেও রাষ্ট্রপতি একটি গৌরবময় ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন।
বার্তার শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য এবং তার নিরাপদ ও সফল সফর কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।
মন্তব্য করুন
logo-1-1772191739.png)