Logo
×

Follow Us

জাতীয়

বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় আধুনিক প্রযুক্তি আসছে দেশে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম

বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় আধুনিক প্রযুক্তি আসছে দেশে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ছবিঃ পিআইডি

দেশে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা আরো উন্নত করতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইনফার্টিলিটি সেন্টারে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সর্বাধুনিক প্রযুক্তি দেশে আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আজ সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড ইনফার্টিলিটি ইউনিটে পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস) সচেতনতা মাস উপলক্ষে আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, পিসিওএসের মতো হরমোনজনিত ও বিপাকীয় সমস্যার কারণে নারীদের বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি বাড়ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় সন্তান ধারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশেও এ ধরনের চিকিৎসা সুবিধা চালু করতে চীনসহ উন্নত দেশগুলোর প্রযুক্তি আনার বিষয়ে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে।

বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় দক্ষ জনবল তৈরিতে প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবার একটি অংশ। সন্তান ধারণে সমস্যার কারণে অনেক দম্পতিকে সামাজিক কটূক্তি ও হয়রানির মুখে পড়তে হয়। চিকিৎসার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব হলে এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই।

দেশের রোগীদের বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার প্রবণতা কমানোর ওপরও গুরুত্ব দেন সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের চিকিৎসকদের সক্ষমতা থাকলেও অনেক রোগী ভারত ও থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিতে যান। এতে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যায়। দেশে বিদেশের সমমানের চিকিৎসা সম্ভব—এমন আস্থা তৈরির পাশাপাশি জেলা ও গ্রাম পর্যায়ে বন্ধ্যাত্ব বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় থাকা নারীদের দেশে চিকিৎসা নিতে উৎসাহিত করা হবে। চিকিৎসায় ৮০ শতাংশ সাফল্যও অর্জন করা গেলে সেটিকে দেশের জন্য বড় অর্জন হিসেবে দেখা হবে। এ কাজে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সহযোগিতা চেয়ে তিনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করার আশ্বাস দেন।

সেমিনারে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গাইনি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মুসাররাত সুলতানার সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. মাজহারুল শাহীন এবং পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য দেন।

মন্তব্য করুন