Logo
×

Follow Us

জাতীয়

সরকারি চাকরিতে তদবিরে বিভাগীয় ব্যবস্থার নির্দেশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পিএম

সরকারি চাকরিতে তদবিরে বিভাগীয় ব্যবস্থার নির্দেশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে বাইরের ব্যক্তি বা প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে তদবির করলে সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ ধরনের তদবিরকে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত চিঠিতে সরকারি কর্মচারীদের চাকরি সংক্রান্ত তদবির বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব ও আচরণবিধি সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এ নির্ধারিত রয়েছে। সম্প্রতি কিছু কর্মচারী চাকরি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তদবিরের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাচ্ছেন বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নজরে এসেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলেছে, এ ধরনের তদবির আচরণ বিধিমালার বিধি ২০-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। পাশাপাশি সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ২(খ) অনুযায়ী এটিকে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করা হবে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, কোনো কর্মচারী নিজের চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে অন্য ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের মাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির করালে তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সাথে তদবিরের ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর ডোসিয়ারে বিস্তারিতভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

তবে চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়মতান্ত্রিকভাবে আবেদন করার সুযোগ থাকছে। কোনো কর্মচারী যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারবেন। এ ধরনের আবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়কে সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে যৌক্তিকভাবে তা নিষ্পত্তি করতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাদের অধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। নির্দেশনার অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সব সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন