Logo
×

Follow Us

জাতীয়

বাংলাদেশ-ফ্রান্স গুরুত্বপূর্ণ খাতসমূহে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম

বাংলাদেশ-ফ্রান্স গুরুত্বপূর্ণ খাতসমূহে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার

ছবি: মন্ত্রণালয়

বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, বিমান চলাচল, শিক্ষা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা আরো বাড়াতে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও ফ্রান্স। বৃহস্পতিবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সাথে ফরাসি রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেঁরে-শার্লের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাতে ফরাসি রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়ায় হুমায়ুন কবিরকে অভিনন্দন জানান। দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও অংশীদারত্বকে আরো এগিয়ে নেয়ার উপায় নিয়েও তারা মতবিনিময় করেন। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণে ফ্রান্সের সহযোগিতার প্রশংসা করেন প্রতিমন্ত্রী।

বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা, অ্যাভিয়েশন, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করে বাংলাদেশ। অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, মহাকাশ, প্রযুক্তি ও ওষুধ শিল্পে আরো বেশি ফরাসি বিনিয়োগের আহ্বান জানান হুমায়ুন কবির।

বৈধ ও নিয়মিত শ্রম অভিবাসনের সুযোগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। একই সাথে অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ফ্রান্সের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ জানান তিনি।

ফরাসি রাষ্ট্রদূত দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতে সহযোগিতা আরো জোরদারে তার দেশের প্রস্তুতির কথা জানান। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংস্কারের উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি ঢাকার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতাসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে দুই দেশ।

এ সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জন্য ফ্রান্সের অব্যাহত মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন হুমায়ুন কবির। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়েও উভয় পক্ষ সম্মতি জানায়।

মন্তব্য করুন