Logo
×

Follow Us

জাতীয়

ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১১ পিএম

ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাকে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানোর প্রক্রিয়া নিয়ে বাংলাদেশের আপত্তি থাকায় সরকারপ্রধান দিল্লি সফর করছেন না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

বৃহস্পতিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। আমন্ত্রণ জানানোর এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সন্তুষ্ট নয়।

আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের সম্মেলনের আয়োজক ভারত। বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য নয়। তবে বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত।

প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ নিয়ে সম্প্রতি ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে আলোচনা চলছিল। এর মধ্যে গত ৪ সেপ্টেম্বর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মেলনে অংশগ্রহণের বিষয়ে তাদের কাছে নতুন কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।

তবে ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্তের অর্থ দ্বিপক্ষীয় ভারত সফরের সম্ভাবনা পুরোপুরি বাতিল হওয়া নয় বলে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, উপযুক্ত ও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যেতে পারেন।

এদিকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য। মিয়ানমারে এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে ফিরে গিয়ে রোহিঙ্গারা নিরাপত্তা, অধিকার, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আস্থার সাথে জীবনযাপন করতে পারে।

হুমায়ুন কবির বলেন, প্রত্যাবাসন শুধু সীমান্ত পার হয়ে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার বিষয় নয়। প্রত্যাবাসনকে অর্থবহ ও দীর্ঘস্থায়ী করতে মিয়ানমারে নিরাপত্তা, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করা জরুরি।

তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি, পরিবেশ, জনসেবা, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও জাতীয় নিরাপত্তার ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। এরপরও বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

মন্তব্য করুন