Logo
×

Follow Us

জাতীয়

সৌদি আরবে হুতি হামলার তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২২ পিএম

সৌদি আরবে হুতি হামলার তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের

ফাইল ছবি

সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দেশটির সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও নিরাপত্তার প্রতি ঢাকার দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবারের হামলার পর এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বেসামরিক মানুষ ও অবকাঠামোর ওপর সব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে। এতে সৌদি সরকার ও দেশটির জনগণের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দক্ষিণ এশিয়ার দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও নিরাপত্তার প্রতি তার অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, হুতিদের হামলায় আবহা, খামিস মুশাইত, জিজান ও নাজরান এলাকায় অন্তত ৭৩ জন বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। হামলার পর বিভিন্ন স্থানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনার কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়।

দক্ষিণ-পশ্চিম সৌদি আরবে হুতিদের হামলা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর প্রভাব হরমুজ প্রণালির বাইরেও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় পড়তে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে চলমান যুদ্ধের চাপ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

ইয়েমেনের রাজধানী দখল করে দেশটির সরকারকে উৎখাত করার পর এক দশকেরও বেশি সময় ধরে হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত আরব জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে সৌদি আরব। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই সংঘাত কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সেখানে কার্যকর যুদ্ধবিরতি এখন ভেঙে পড়েছে।

এদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলের চলমান বৃহত্তর সংঘাত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শক্তির লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। দুই পক্ষই অর্থনৈতিক চাপ ও অবরোধের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে নিজেদের অবস্থান পরিবর্তনে বাধ্য করার চেষ্টা করছে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রেখে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ বাড়ানোর চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সাথে অবরোধের মাধ্যমে ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধের উদ্যোগও নিয়েছে ওয়াশিংটন।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, মঙ্গলবার ধ্বংস করা তেলবাহী ট্যাংকারগুলো এমন একটি গোপন নেটওয়ার্কের অংশ ছিল, যার মাধ্যমে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এবং তাদের আঞ্চলিক সহযোগীদের অর্থায়ন করা হয়।

ইরান দীর্ঘদিন ধরে ‘প্রতিরোধের অক্ষ’ বা ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স’ নামে পরিচিত একটি আঞ্চলিক জোটকে সমর্থন দিয়ে আসছে। এই জোটে ফিলিস্তিনের হামাস, লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইরাকের শিয়া মিলিশিয়া গোষ্ঠী এবং ইয়েমেনের হুতিদের অন্তর্ভুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়।

মন্তব্য করুন