Logo
×

Follow Us

জাতীয়

আগামী বছর চালু হচ্ছে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিল’:ববি হাজ্জাজ

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪১ পিএম

আগামী বছর চালু হচ্ছে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিল’:ববি হাজ্জাজ

ছবিঃ বাসস

শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া কমাতে আগামী বছরের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিল’ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, বর্তমানে ১৫১টি উপজেলায় চলমান স্কুল ফিডিং কর্মসূচি ধাপে ধাপে দেশের সব উপজেলায় সম্প্রসারণ করা হবে।

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, ৪ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সঙ্গে ধরে রাখতে পুষ্টিকর খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ কারণে আগামী বছরের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের পুষ্টিমান বজায় রাখা এবং বিতরণ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হয়েছে। একই সাথে মাঠপর্যায়ে স্থানীয় মা-বোনদের সম্পৃক্ত করে ‘মাদারস কমিটি’ গঠন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে খাবার বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাইলট প্রকল্প থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা ও মতামত পর্যালোচনা করে খাদ্যতালিকায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিশুদের প্রয়োজনীয় পুষ্টিমানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনে খাবারের তালিকায় নতুন উপাদান যুক্ত করা হবে। এর লক্ষ্য প্রতিটি শিশুর জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা।

চতুর্থ শ্রেণিতে চালু হতে যাওয়া নতুন বিষয় নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্পোর্টস ও কালচারাল এডুকেশন’-এর একটি প্রাথমিক পাঠ্যবই চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে। এই শিক্ষার্থীরা ২০২৮ সালে পঞ্চম শ্রেণিতে উঠলে বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ কারিকুলাম কার্যকর হবে। আপাতত সহকারী শিক্ষকদের এ বিষয়ে তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়ন প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, দেশে ৩৫ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে অথবা এসব পদ নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান ছিল। দ্রুত এসব পদে নিয়োগ ও পদায়ন নিশ্চিত করতে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মনোয়ারা ইশরাত, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন