কওমি শিক্ষার্থীদের কারিগরি-বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
কাওমী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য সরকার প্রশিক্ষনের পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী একথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কওমী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য দেশে এবং বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কারিগরি এবং বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকাল সাড়ে তিনটায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে প্রথম আধা ঘন্টায় প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোকাল পর্বে ৪টি লিখিত প্রশ্ন এবং ৬টি সস্পূরক প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।
মনিরুল হক চৌধুরীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সকল কওমী মাদরাসার সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ২০০৬ সালে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ‘কওমী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ’ নামে একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গঠন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি'আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ এর অধীন 'কওমি মাদরাসাসমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল)-এর সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিস ও আরবি)-এর সমমান প্রদান আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করে ছয়টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড গঠন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
'এগুলো হচ্ছে, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ, বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া গওহরডাঙ্গা বাংলাদেশ, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ, আযাদ দ্বীনি এদারায়ে তালীম বাংলাদেশ, তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া বাংলাদেশ এবং জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বাংলাদেশ।'
প্রধানমন্ত্রী জানান, গত ২৩ জুন ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬’ সংশোধনপূর্বক সহকারী মৌলভী (ক্বারী) এবং ইবতেদায়ী ক্বারী পদে নিয়োগের কাম্য যোগ্যতায় ৬টি কওমী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সনদকে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। উক্ত ২টি পদে কওমী মাদরাসায় দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল) ডিগ্রিসহ ইলমে কিরাআত/হিফজুল কোরআন সনদ প্রাপ্তদের নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।
লক্ষীপুর-২ আসনের সংসদ আবুল খায়ের ভুঁইয়ার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনার ধারণা আছে যে আমাদের যেটা রেগুলার সিলেবাস আছে সেটার মধ্যে ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থা আছে। তবে অবশ্যই এটাকে আমরা আরো কিভাবে ডেভেলপ করা যায় নিশ্চয়ই আমরা সেটিকে পর্যালোচনা করতে পারি।
কুঁড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুল আলমের এই বিষয়ে সম্পূরক প্রশ্ন করলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্য আপনি যদি আমাকে একটু আলাদা নোটিশ দেন আমি পুরা বিষয়টা সঠিকভাবে খোঁজখবর করে সংসদের সামনে উপস্থাপন করবো।
মন্তব্য করুন
logo-1-1772191739.png)