জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক চান ভারতীয় হাইকমিশনার
প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও জোরদারে দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, দুই দেশের যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন তিনি।
দীনেশ ত্রিবেদী জানান, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে একসাথে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না এবং এ বিষয়ে মন্তব্য করাও উচিত নয়। জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনে নির্বাচিত সরকারই দেশের মানুষের জন্য কোনটি ভালো, তা সবচেয়ে ভালোভাবে বুঝতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দুই দেশের জনগণের সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারত সবসময় বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায়। দুই দেশের নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রভাব সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে। তাই তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা উভয় দেশের দায়িত্ব।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তের পাশাপাশি নিজেদের স্বপ্নও ভাগ করে নেয়। এ কারণে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে দুই দেশের দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। উভয় দেশকে সমান অংশীদার উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ বড় বা ছোট নয়।
বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশই নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি উল্লেখ করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, চ্যালেঞ্জ সবসময়ই থাকবে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জগুলো যেমন বিবেচনায় নিতে হবে, তেমনি ভারতের চ্যালেঞ্জগুলোকেও বাংলাদেশকে বুঝতে হবে। এসব বাস্তবতা মাথায় রেখেই দুই দেশকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে পারস্পরিক সহযোগিতা, পারস্পরিক সম্মান এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন দীনেশ ত্রিবেদী।
মন্তব্য করুন
logo-1-1772191739.png)