বিমান ভাড়া কমানোর পরিকল্পনা সরকারের: বিমানমন্ত্রী
প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের রুট সম্প্রসারণ ও আয় বৃদ্ধির সাথে ভবিষ্যতে বিমান ভাড়া আরও কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে এদিন সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।
মন্ত্রী বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের রুটগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে প্রতিষ্ঠানের আয় আরও বাড়বে। তখন সেই বাড়তি আয়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিমান ভাড়া কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া প্রসঙ্গে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, একসময় হজযাত্রীদের কাছ থেকে বিমান প্রায় ২ লাখ টাকা ভাড়া নিত। পরে অন্তর্বর্তী সরকার তা কমিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকা নির্ধারণ করে। সর্বশেষ হজে বিমানের ভাড়া সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা হিসাব করা হয়েছিল। চলতি বছর ডায়নামিক প্রাইসিং পদ্ধতি ব্যবহার করে তা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
বিমান টিকিটের মূল্য নির্ধারণে অন্যান্য এয়ারলাইন্সের প্রচলিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় এয়ারলাইন্স যেভাবে পরিচালিত হয়, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হবে।
অভ্যন্তরীণ রুটে অস্বাভাবিক বেশি বিমান ভাড়া এবং বিশেষ করে ফ্লাইটের সময় ঘনিয়ে এলে টিকিটের দাম বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মুজিবুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবও দেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে প্রকৃত বিমান ভাড়া প্রায় ৬ হাজার ৪০০ টাকা, ১২ হাজার টাকা নয়। এর সঙ্গে যাত্রীদের প্রায় ১৫ শতাংশ কর এবং অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জ দিতে হয়।
ফ্লাইট ছাড়ার শেষ সময়ে টিকিটের দাম বাড়ানো, কারসাজি কিংবা কালোবাজারি ঠেকাতে সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে বলেও জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী। সরকারি নির্ধারিত মূল্যে যাত্রীরা যাতে টিকিট কিনতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে যাত্রীদের অতিরিক্ত দামে বিমান টিকিট কিনতে হবে না। নির্ধারিত মূল্যেই টিকিট কেনার সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আর্থিক সক্ষমতা ধরে রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য বিমান ভ্রমণকে আরও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যেও সরকার কাজ করছে বলে জানান এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মন্তব্য করুন
logo-1-1772191739.png)