Logo
×

Follow Us

জাতীয়

'রাতারাতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করতে পারি না'

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২১ পিএম

'রাতারাতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করতে পারি না'

ছবি: সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাতারাতি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আমরা কেউ আশা করতে পারি না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে, নির্দেশনায় আমরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে এমন পর্যায়ে উন্নীত করতে পারব। ইনশাল্লাহ জনপ্রত্যাশা পূরণ হবে। এই বাহিনী জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠা করবে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে ঢাকায় বিএনপি আয়োজিত ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা.) আলোচনা সভায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে ভঙ্গুর অবস্থায় পেয়েছিলাম, এই ছয় মাসে আমরা তাদের অবস্থান উন্নীত করতে পেরেছি। তাদের মনোবল ফিরে এসেছে এবং তারা সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে অপরাধ দমনে সচেষ্ট হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা যে শৃঙ্খলা বাহিনী পেয়েছি, যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশ আমরা পেয়েছি, যে আকাশসমান প্রত্যাশা আমরা পেয়েছি, আমাদের যে প্রত্যাশা আছে—সবকিছু আমাদের একই সঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আধুনিকায়ন, মনোবল বৃদ্ধি করা, তাদের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করা—এসব কাজ একসঙ্গে করতে হবে, যা আমরা করে যাচ্ছি।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আইনি কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হচ্ছে তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের যেমন জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হচ্ছে, তেমনি তাদের কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতাও নিশ্চিত করা হবে। ‘দুষ্টের দমন সৃষ্টের পালননীতি’ অনুসরণের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ সময় আরো বলেন, সরকারের ছয় মাস অতিবাহিত হয়েছে। এ দায়িত্ব নেয়ার পরে একটি ঘটনাও নাই, এমন কোনো অপরাধ নাই, যেটা সংঘটিত হওয়ার পরপরই পুলিশ বাহিনী গ্রেপ্তার করতে পারে নাই বা বিচারের উদ্যোগ নেয় নাই। একটি ঘটনাও নাই। এটাই বাংলাদেশে বর্তমান সরকারের কৃতিত্ব।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান বিশ্বে যদি আমরা ইসলামের শান্তির মহানবাণী স্মরণ করি, তাহলে বিশ্বে কোনো যুদ্ধবিগ্রহ থাকে না। ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠা হয় এবং সমাজে কোনো শৃঙ্খলার কোনো বিঘ্ন ঘটে না। কিন্তু আমরা সেই বাণী থেকে, সেই আদর্শ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছি। সেজন্য আমাদের দেশে এবং সারা বিশ্বের সকল মানুষের প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে যে, আমরা যারা ন্যায়ের পথে, শান্তির পথে, সাম্যের পথে, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করি।

তিনি বলেন, আজকের দিনে সারা পৃথিবীতে যুদ্ধময় পরিস্থিতিতে, অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলাতে একটা জিনিসই উপলব্ধিতে আসে, তাহলে স্বার্থের সংঘাত। অর্থনৈতিক সংঘাত এবং পরস্পরের স্বার্থের জন্য যুদ্ধবিগ্রহ। এগুলো কোনো কিছুই থাকবে না যদি আমরা শান্তি ও সাম্যের পথে থাকি এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করি। আজকের দিনে আমি এটাই বলব, আমরা যেন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পথ অনুসরণ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করি।

মন্তব্য করুন