ঢাকায় যাত্রাবিরতিতে ভুটানের রাজার রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৯ এএম
ঢাকায় যাত্রাবিরতিতে ভুটানের রাজার রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ
ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুকের ঢাকায় যাত্রাবিরতির সময় তাঁর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার ভোরে সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে ভুটানের রাজার বিশেষ বিমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে ভুটানের রাজাকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি। পরে তাঁদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ভুটানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। জবাবে ভুটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানান।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান ভুটানের রাজা। জবাবে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা এবং রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি।
আলোচনায় বাংলাদেশ ও ভুটানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে ভুটানের বিশেষ অবস্থান রয়েছে। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ছিল ভুটান।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতি ভুটানের বর্তমান রাজার পিতা প্রয়াত রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বিশেষ মমত্ববোধ ও শ্রদ্ধার কথাও স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি। দুই দেশের জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন দুই নেতা।
ভুটানের রাজা শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভুটানের সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান। এ সময় তিনি ভুটানের ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং প্রকল্পটিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রকল্পটির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক কল্যাণ, টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ রয়েছে।
সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে সিঙ্গাপুর থেকে ভুটানের উদ্দেশে যাত্রা করা বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
মন্তব্য করুন
logo-1-1772191739.png)