মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
আবুল কালাম আযাদের আপিল শুনানিঅবকাশকালীন ছুটির পর
প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০০ পিএম
সংগৃহীত ছবি
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আযাদের আপিল গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শুনানি আপিল বিভাগের অবকাশকালীন ছুটির পর অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ বিষয়ে দিন ধার্য করেন।
একই সাথে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য না করার জন্য চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামকে সতর্ক করেছেন আদালত। পরে চিফ প্রসিকিউটর জানান, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত আপিল বিভাগে অবকাশকালীন ছুটি থাকবে। ছুটি শেষে আদালত কার্যক্রম শুরুর চার সপ্তাহ পর আবুল কালাম আযাদের আপিলের শুনানি হবে।
আদালতে আবুল কালাম আযাদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আপিলে আবুল কালাম আযাদ বিলম্ব মার্জনার পাশাপাশি আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ডের রায় স্থগিত রাখার আবেদন করেছেন।
২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি পলাতক অবস্থায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাকে এ সাজা দেওয়া হয়। স্বাধীনতার ৪১ বছর পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেওয়া এটি ছিল প্রথম রায়।
বেসরকারি বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে ইসলামবিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া আবুল কালাম আযাদ রায়ের পর দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন।
এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল করার শর্তে তার মৃত্যুদণ্ডের সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে। পরে তিনি আত্মসমর্পণ করে আপিলের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের আবেদন জানান।
পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আপিলের প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় আবুল কালাম আযাদ আপিল করেন। সেই আপিলের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই এখন শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন
logo-1-1772191739.png)