Logo
×

Follow Us

আইন-আদালত

দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস মির্জা আব্বাস

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম

দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস মির্জা আব্বাস

মির্জা আব্বাস

বিনা দরপত্রে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রির মাধ্যমে রাষ্ট্রের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা ক্ষতির অভিযোগে দায়ের করা ১৫টি দুর্নীতি মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস খালাস পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান মামলাগুলোর রায় ঘোষণা করেন।

মামলাগুলো ২০০৭ সালে ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা। অভিযোগ ছিল, চারদলীয় জোট সরকারের সময় সরকারি ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি সাজানো দরপত্রের মাধ্যমে প্রকৃত মূল্যের তুলনায় অস্বাভাবিক কম দামে বিক্রি করা হয়। এ ঘটনায় ২০০৭ সালের মার্চে মতিঝিল থানায় মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

ওই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এতে বলা হয়, দরপত্রে কারসাজি করে এবং বাড়িগুলোর প্রকৃত মূল্যের তুলনায় কম মূল্য দেখিয়ে বিক্রির মাধ্যমে আসামিরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। এর ফলে সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। পরে আরও ১৪ জনকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

পরবর্তী সময়ে মির্জা আব্বাসসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ-৩ আদালতের তৎকালীন বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন। অভিযোগে গুলশান, ধানমণ্ডি ও শান্তিনগরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মোট ১৮টি পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি বিক্রিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, রাজউকের মাধ্যমে এসব বাড়ি বিক্রির ক্ষেত্রে দরপত্র প্রক্রিয়ায় কারসাজি করা হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, পছন্দের ব্যক্তিদের সুবিধা দিতে কম মূল্যের দরপত্র গ্রহণ করা হয় এবং সরকারি স্বার্থ উপেক্ষা করে বাড়িগুলো বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

মামলায় মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ প্রভাব প্রয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছিল।

তবে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার আদালত মির্জা আব্বাসকে এসব ১৫ মামলায় খালাস দেন। ফলে সরকারি বাড়ি বিক্রিকে কেন্দ্র করে করা এই মামলাগুলোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে আর কোনো সাজা বহাল থাকল না।

মন্তব্য করুন