ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে
গ্রেপ্তারের একদিন পর শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেয়েছেন ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। ৫০ হাজার রুপির বন্ড জমা দেয়া এবং শান্তি ভঙ্গ না করার মুচলেকার ভিত্তিতে শনিবার (১৭ অক্টোবর) তাঁকে মুক্তির নির্দেশ দেন দিল্লির একটি আদালত।
নির্বাচনী জালিয়াতির অভিযোগে চলমান বিক্ষোভের অংশ হিসেবে দিল্লির কনট প্লেসে ‘তিরঙ্গা মার্চ’ বা জাতীয় পতাকা মিছিল আয়োজনের পরিকল্পনার কারণে তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। আদালতে শুনানি শেষে মন্দির মার্গ থানা থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মুক্তি পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান অভিজিৎ দীপকে। ২০০৪ সালের ‘ভীর-জারা’ চলচ্চিত্রের একটি দৃশ্যের ছবি পোস্ট করেন তিনি। ওই দৃশ্যে পাকিস্তানের কারাগার থেকে ২২ বছর পর মুক্তি পেয়ে শাহরুখ খানের অভিনীত চরিত্রকে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। ছবির ক্যাপশনে দীপকে লেখেন, ‘ওয়াইফাই এবং ফোন ছাড়া ২৪ ঘণ্টা পর জেল থেকে বের হতে যেমন লাগে।’
শুক্রবার অভিজিৎ দীপকের পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরাকেও আটক করা হয়েছিল। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার ভোরে নেহা বোরাকে ছেড়ে দেয়া হয়। তবে অভিজিৎ দীপকেকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়।
এদিকে সিজেপির নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস যন্তর মন্তরে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। গত সপ্তাহে যন্তর মন্তরকে প্রতিবাদের নির্ধারিত স্থান হিসেবে তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছিল।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় কনট প্লেসে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর পরিকল্পনায় ‘ল্যাহরা দো তিরঙ্গা’ শীর্ষক প্রতিবাদ মিছিলের আগে নেহা বোরা ও অভিজিৎ দীপকেকে প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নেওয়া হয়। তবে এরপরও শিক্ষার্থীসহ অন্যান্য বিক্ষোভকারী জাতীয় পতাকা নিয়ে ছোট ছোট দলে মিছিল করেন।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লি পুলিশ আইনের অধীনে আটকের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে নেহা বোরাকে মুক্তি দেয়া হয়। অন্যদিকে, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১২৬ ও ১৭০ ধারায় শান্তি ভঙ্গের অভিযোগে অভিজিৎ দীপকেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে মুচলেকার ভিত্তিতে তিনি মুক্তি পান।
মন্তব্য করুন
logo-1-1772191739.png)