Logo
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা, শোনা গেল বিস্ফোরণ

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৫ পিএম

রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা, শোনা গেল বিস্ফোরণ

রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা

 

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে শনিবার ভোরে বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর নগরীতে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় বলে জানিয়েছে এএফপি। প্রায় আধা ঘণ্টা পর সতর্কতা প্রত্যাহার করে দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সময় রাত ৩টার কিছু আগে রিয়াদের বাসিন্দাদের মোবাইলে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। এতে এলাকাটি শত্রুপক্ষের আকাশপথে হামলার হুমকির মধ্যে রয়েছে জানিয়ে সবাইকে ঘরের ভেতরে অবস্থানের নির্দেশ দেয়া হয়। সতর্কবার্তা জারির পর এএফপির সাংবাদিকরা দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান।

সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতিদের সামরিক তৎপরতার মধ্যে সৌদি আরবও তাদের হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে। জুলাইয়ে প্রতিবেশী ইয়েমেনে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর এবারই প্রথম রিয়াদ সরাসরি এর প্রভাবের মুখে পড়ল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইয়েমেনের জনবহুল বেশির ভাগ এলাকা নিয়ন্ত্রণে থাকা হুতিরা চলতি মাসে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করেছে। তাদের ঘোষিত লক্ষ্য ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূল দখলে নেওয়া। এর ফলে কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালির ওপরও তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় সৌদি আরব তেল রপ্তানির বিকল্প রুট হিসেবে বাব আল-মান্দেব ব্যবহার করছিল। তবে হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ওই সমুদ্রপথে নৌ অবরোধ ঘোষণা করেছে। সমুদ্রপথ পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ের পর থেকে বাব আল-মান্দেব দিয়ে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি কমেছে। যদিও গত এক সপ্তাহে তেলবাহী পাঁচটি জাহাজ এই পথ ব্যবহার করেছে।

হুতিদের দাবি, সৌদি আরবের জাহাজ ছাড়া অন্য সব জাহাজের জন্য বাব আল-মান্দেব প্রণালি উন্মুক্ত রয়েছে এবং সেগুলো অবাধে চলাচল করতে পারবে।

এদিকে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় ইয়েমেনের মানবিক পরিস্থিতিও আরও অবনতি হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে ১ লাখ ১২ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৩ হাজার মানুষ সমুদ্রপথে পালিয়ে জিবুতিতে আশ্রয় নিয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে মানবিক সংকটে থাকা ইয়েমেনের সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরো বেড়েছে।

মন্তব্য করুন