Logo
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

ইরানে ফের মার্কিন বাহিনীর হামলা, পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২২ এএম

ইরানে ফের মার্কিন বাহিনীর হামলা, পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে সৌদি আরবের দুই ট্যাংকার জাহাজে হামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে ফের সামরিক অভিযান শুরু করেছে মার্কিন বিমান বাহিনী। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা থেকে শুরু হয়েছে এ হামলা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে এ হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, “আজ (মঙ্গলবার) পূর্বাঞ্চলীয় সময় দুপুর ১২টা (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) থেকে মার্কিন বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানা শুরু করেছে। সম্প্রতি আইআরজিসি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং মধ্যপ্রাচ্যে হামলা করেছে। সেই হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।”

এদিকে ইরানে মার্কিন বাহিনীর নতুন করে হামলা শুরুর পর ওয়াশিংটনকে কঠোর জবাব দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। এতে করে দুই দেশের মধ্যে আবার সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) মধ্যপ্রাচ্যে নিয়োজিত মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

এক বিবৃতিতে সেন্টকম বলেছে, ‘প্রণালী (হরমুজ প্রণালী) দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে এবং অঞ্চলে মোতায়েন করা মার্কিন সেনা সদস্যদের লক্ষ্য করে সম্প্রতি আইআরজিসির চালানো ব্যর্থ হামলার জবাবেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।’

মার্কিন এই হামলার পর দ্রুতই পাল্টা আঘাত হানার অঙ্গীকার করেছে আইআরজিসি। গার্ডসের মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আগ্রাসনকারীদের জন্য কঠোর শাস্তি অপেক্ষা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন হামলার জন্য তাদের অনুতাপ করতে হবে।’

উল্লেখ্য, রবিবার (৩০ আগস্ট) দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার পরই মঙ্গলবারের এই নতুন হামলা চালানো হলো। ওই দিন মার্কিন সামরিক বাহিনী দক্ষিণ ইরানের লারাক দ্বীপে আঘাত হানে এবং এর জবাবে জর্ডানে মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে তেহরান। রবিবারের সেই সংঘর্ষের পর ট্রাম্প ইরানকে ‘কঠোর’ জবাব দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

মন্তব্য করুন