Logo
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতায় অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র কেনার হিড়িক

Icon

প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪৭ এএম

হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতায় অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র কেনার হিড়িক

ছবি: সংগৃহীত

কলকাতায় হঠাৎ অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র কেনার হিড়িক পড়েছে। কেউ বলছেনআবাসিক হোটেলে আগুন লেগে ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনারপর সচেতন হয়েছে শহর। আবার কেউ বলছে সরকারি কড়াকড়ির কারণে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ায় আশঙ্কা থেকেই দেখা যাচ্ছে এমন চিত্র। যদিও ছোট বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অনেকে নিজের বাড়ির জন্যও বাড়তি সতর্কতা হিসেবে নানান রকমের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র কিনে রাখছেন বলে জানা গেছে।

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং থেকে সুন্দরবন পশ্চিমবঙ্গের ২৩ জেলাতেই আবাসিক হোটেল, গেস্টহাউস ও রেস্তোরার অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি, ফায়ার অডিট করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পৌরসভা ও পুলিশ। আর প্রশাসনের এমন কঠোর নির্দেশের পর বেড়েছে ফায়ার এলার্ম, ফায়ার এক্সটিংগুইশার সহ অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের কেনাকাটা।

অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ফায়ারশিল্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ইকুপমেন্টের কর্ণধার অঙ্কিত জালাল বলেন, যখন আগুন লাগে তারপর প্রত্যেকটা সেকেন্ড তখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়। ছোট এখন মুহুর্তেই বড় আগুনের রূপ নিয়ে ফেলে। সব সময় আইনের জন্য নয় নিজের সেফটির জন্য পোর্টেবল ফায়ার এক্সটিংগুইশার কিংবা ফায়ার এলার্ম রাখা জরুরী। অন্তত আওয়াজ পেলে যেন মানুষ সেখান থেকে বেরিয়ে প্রাণ রক্ষা করতে পারে। কিংবা ছোট আগুন কে ছোট অবস্থাতেই রুখে দেয়া যায়। আর এগুলো ব্যবহার করা খুবই সহজ, সরকারি গাইডলাইন অনুযায়ী ডিভাইসগুলি এমনভাবে নির্মিত একটি ছোট শিশুও সহজে ব্যবহার করতে পারবে।

কলকাতার আরেকটি অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের কর্মী তমাল দাস বলেন, মানুষের মধ্যে সচেতনতা এসেছে তারা বুঝেছে এই ছোট্ট একটি ডিভাইস আমার প্রাণ বাঁচাতে পারে। ফায়ার এক্সটিংগুইশার কিংবা এলার্ম অনেকটা ফার্স্ট এইড এর মত কাজ করে। যদি সিস্টেম থাকে তবে কন্ট্রোল করা যাবে আর না থাকার কারণেই এত বড় ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন, এই ঘটনার পর কেনাকাটা অনেকটাই বেড়েছে। যারা একেবারেই কিছু কিনতেন না তারা এখন কেনাকাটা করছেন। শুধু বাড়ি হোটেল রেস্তোরাঁ নয়, যার একটা ছোট চায়ের দোকান আছে, সেও একটি ছোট এক্সটিংগুইশার কিনে নিয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কলকাতার নিউ মার্কেটের ১৫জি মির্জা গালিব স্ট্রীটে ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলের অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে ৭ জনই বাংলাদেশী নাগরিক, বাকি ২ জন ভারতীয়। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ৬ জন পুরুষ, ২ জন মহিলা এবং ১টি শিশু। এ দুর্ঘটনার পরেই শহরে দেখা গিয়েছে শহরজুড়ে সচেতনতার এমন চিত্র।

মন্তব্য করুন